সোমবার ১৭ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পুলিশ কর্মকতা প্রত্যাহার

প্রকাশঃ ১২ জানুয়ারি, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ আহত মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যুর পর সহপাঠীদের তাণ্ডবের ঘটনায় এএসপি তাপস রঞ্জন ঘোষ ও সদর মডেল থানার ওসি আকুল চন্দ্র বিশ্বাসকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সংঘর্ষে আহত মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যুর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডব

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ হেডকোয়ার্টারের এআইজি মো. মনিরুজ্জামান পিপিএম এসোনার বাংলা৭১.কমকে এ তথ্য জানান।

এছাড়া পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মাহবুবুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার বিকালে শহরের জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার এক ছাত্র মোবাইল ফোনসেট কেনার জন্য জেলা পরিষদ মার্কেটে গেলে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে তাকে চড় মেরেছিলেন এক দোকানি।

এ খবর পেয়ে ওই মাদ্রাসার অর্ধশতাধিক ছাত্র দোকানটি ভাঙচুর করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে শুরু হয় সংঘর্ষ। ওই সংঘর্ষে আহত মাদ্রাসাছাত্র মাসুদুর রহমান মঙ্গলবার ভোরে মারা যান।

এরপর মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরজুড়ে তাণ্ডব চালায় মাদ্রাসাছাত্ররা।

এই তাণ্ডবে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ও ভাংচুর হয়েছে। ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গন ভাংচুরের পাশাপাশি সুর সম্রাটের স্মৃতি বিজড়িত বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রও পুড়িয়ে দেয় মাদ্রাসার ছাত্ররা।

ভাংচুরের মধ্যে পড়েছে জেলা শিল্পকলা একাডেমি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্সের ব্যাংক এশিয়া, প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রও।

রেল স্টেশন ভাংচুর এবং লাইন থেকে স্লিপার তুলে নেওয়ায় ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়।