বৃহস্পতিবার ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৪শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১০ কর্মকর্তাকে দুদকে তলব

প্রকাশঃ ১৮ জানুয়ারি, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হল-মার্ক কেলেংকারির নন-ফান্ডেড অংশের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ১০ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) কাছে ইতিমধ্যে এ-সংক্রান্ত নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
দুদকের পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী নোটিশটি পাঠিয়েছেন। নোটিশে ওই কর্মকর্তাদের ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।
ওই ১০ কর্মকর্তা ২০১০ থেকে ২০১২ সালে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখায় কর্মরত ছিলেন।
যে পাঁচ কর্মকর্তাকে ২৪ জানুয়ারি হাজির হতে তলব করা হয়েছে, তারা হলেন— ব্যাংকটির নারায়ণগঞ্জ শাখার এভিপি মো. নুরুল আলম, একই শাখার এফএভিপি গাজী মো. নাজমুল আলম, এফএভিপি মো. শাহীন হোসেন, সিনিয়র অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান ও গোপালদী শাখার এসএভিপি মো. রেজাউর রহমান।
২৫ জানুয়ারি হাজির হতে তলব করা হয়েছে বংশাল শাখার ভিপি ও ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মো. তাহির-উজ-জামান, একই শাখার এফএভিপি ও অপারেশন ম্যানেজার আহাম্মদ আজিম, সিনিয়র অফিসার রুবাইয়াত আনা, রোকেয়া স্মরণী শাখার এফএভিপি মো. সলিমউল্লাহ ও দনিয়া রসুলপুর শাখার সিনিয়র অফিসার সাইফুল কবীর আহমেদকে।
দুদক সূত্র জানায়, হল-মার্ক ও তার পাঁচ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফান্ডেড, নন-ফান্ডেডসহ মোট তিন হাজার ৪৬৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রয়েছে। এর মধ্যে ফান্ডেড অংশের তদন্ত শেষ করেছে কমিশন। ফান্ডেড অংশে দায়ের করা মোট ৩৮টি মামলার বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মামলাগুলোর চার্জশিট ইতিমধ্যে আদালতে দাখিল করা হয়েছে।
আর নন-ফান্ডেড অংশের সঙ্গে ৩৭টি ব্যাংকের ১২০টি শাখায় সম্পৃক্ততা রয়েছে। এসব ব্যাংক থেকে হল-মার্ক নগদ হাতিয়ে নিয়েছে এক হাজার ৫৩৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা।
নন-ফান্ডেড অংশের জালিয়াতিতে আক্রান্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সরকারি সাতটি, বেসরকারি ২৫টি ও বিদেশি পাঁচটি ব্যাংক রয়েছে। এসব ব্যাংকের সঙ্গে হল-মার্ক সুতা, তুলা, ফেব্রিক্স ও এক্সেসরিস সরবরাহ করেছে মর্মে জালিয়াতি করা হয়।