শনিবার ২২শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৯শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

সেরা প্রযুক্তি ব্যক্তিত্বের তালিকায় জয়-পলক

প্রকাশঃ ২৮ জানুয়ারি, ২০১৬

বাংলাদেশের উন্নয়নে যুগান্তকারী এক দর্শন ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য। সমৃদ্ধ ও উন্নত সোনার বাংলা গড়তে নতুন অভিধা হিসেবে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিপাদ্য বাস্তবায়িত করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে বাংলাদেশকে বিশ্বের রোল মডেলে পরিণত করতে সরকার ও বেসরকারি খাত একযোগে কাজ করছে। যা দেশের উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে। বর্তমান বিশ্বে জনগণের ক্ষমতায়ন ও দারিদ্র্য দূরীকরণের অন্যতম হাতিয়ার তথ্যপ্রযুক্তি। এ হাতিয়ারকে ধারণ করে প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তির অবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। বড় কোন পরিবর্তন মানুষকে কেন্দ্র করে হয়ে থাকে এবং বাংলাদেশের প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও তা ব্যতিক্রম নয়। কিছু ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের জন্য তারা এখনও কাজ করে যাচ্ছেন এবং আরও ভালো কিছু করারও সামর্থ্য আছে তাদের। ২০১৫ সালের এমন সেরা ১৫ ব্যক্তির একটি তালিকা তৈরি করেছে অনলাইন টেক পোর্টাল হাই-ফাই পাবলিক ডট কম।
১. সজীব ওয়াজেদ জয়বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব পালন করছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে তার বাস্তবভিত্তিক নির্দেশনায় এগিয়ে যাচ্ছে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত। অর্জিত বিদ্যার সবটুকুই তিনি দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাচ্ছেন। দেশের জন্য তার এই সেবার ব্রত জাতীয় উন্নতির এক সবুজ সংকেত। যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস এ্যট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করেন তিনি। পরবর্তীতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসন বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন। ২০০৭ সালে তিনি ইয়াং গ্লোবাল লিডার নির্বাচিত হোন।
২. জুনাইদ আহমেদ পলক
বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ মন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বর্তমান মন্ত্রীসভার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন জুনাইদ আহমেদ পলক। প্রতিমন্ত্রীর নিরলস শ্রমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও প্রযুক্তির সেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়েছে।
বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ সাইটেও বেশ সক্রিয় এই তরুণ মন্ত্রী। নিজের ওয়েবসাইটও নিয়মিত আপডেট করেন তিনি। বাংলাদেশের আইসিটি ভিশন-২০২১ পূরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন কারিগরি ও আইসিটি উদ্যোগেরও তদারকি করেন পলক। বেসিস এবং এটুআইয়ের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। হ্যাকাথন এবং ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৪ ও ২০১৫-এর মতো আয়োজন সফল করতে তার অসামান্য ভূমিকা রয়েছে।
৩. শামীম আহসান
শামীম আহসান একজন আইসিটি উদ্যোক্তা এবং এখনি.কম সাইটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। ই জেনারেশন লিমিটেড, বেঞ্চমার্ক তার সর্বশেষ ভেঞ্চার। সেইসাথে দুইবার বেসিস সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শামীম। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে তিনি ‘বাংলাদেশের সেরা তরুণ উদ্যোক্তা’র পুরস্কারও গ্রহণ করেছেন। তার অধীনে বিভিন্ন আইসিটি মেলা ও সেমিনার আয়োজিত হয়েছে। অনেক আন্তর্জাতিক সম্মেলন এবং সেমিনারে স্পিকার হিসেবেও বক্তব্য রেখেছেন শামীম। বর্তমানে তিনি ফেনক্স ভেনচার ক্যাপিটালের সাধারণ অংশীদার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
৪. এএইচএম মাহফুজুল আরিফ
কম্পিউটার সোর্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহফুজুল আরিফ। গণমাধ্যমে তার নাম কম উচ্চারিত হলেও তথ্যপ্রযুক্তিতে অবদান অনেক। ২০১৪ সালে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি মিডিয়ার সামনে আসা শুরু করেন। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে ২০১৫ সালে তিনি সারা বাংলাদেশে বিসিএস আইসিটি এক্সপোর আয়োজন করেন।