শনিবার ২৯শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৬শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

শাশুড়ি ও জা মিলে এসিডে দগ্ধ করলো গৃহবধুকে

প্রকাশঃ ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জেলার সদর উপজেলার বানিয়ারজান এলাকায় গত রাত ৮ টায় সাথী নামের এক গৃহবধুকে এসিডে দগ্ধ করেছে তার শাশুড়ি ও জা মিলে। এতে করে তার কোমরের নিচের অংশ অনেকটাই ঝলসে গেছে।
বর্তমানে সাথী সাদুল্যাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছে। সাদুল্যাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কথা হয় সাথীর সাথে। তিনি বলেন, সদর উপজেলার বানিয়ারজান এলাকায় জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে সৌরভ মিয়ার (২০) সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। সংসার বাঁধার স্বপ্ন নিয়ে প্রেমিক সৌরভের হাত ধরে গত ৩০ জানুয়ারী বাড়ী থেকে পালিয়ে যায় চট্রগ্রামে।সেখানে তাদেও রেজিষ্ট্রির মাধ্যমে বিয়ে হয়। বিয়ের বিষয়টি সৌরভের পরিবার জেনে যায়। পওে সৌরভের মা হালিমা বেগম কোন সমস্যা হবে না বলে মোবাইল ফোনে তাদেও বাড়ী ফিরে আসতে বলেন। সাথী আরও বলেন,আশ্বাস পেয়ে তারা দুজন বাড়ী ফিরে আসেন। এরপর সৌরভের বড় ভাই হাবিবের স্ত্রী রেহানার সাথে তাকে থাকতে দেওয়া হয়। কিন্ত সেখানে সৌরভ ছিলোনা। ২-৩ েিনও সৌরভের সাথে তার দেখা বা কথা হয়নি। এদিকে প্রেম করে বিয়ে করার অপরাধে শাশুড়ি হালিমা বেগম ও জা রেহানা বেগম গত ৬ ফেব্র“য়ারী রাতে তাকে বেধরক মারপিট করে। এসময় তার পেটে ও কমরে লাথি দিলে রক্তপাত শুরু হয় সাথীর। পরে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা সেরে আবার বাসায় নিয়ে গিয়েও ক্ষান্ত হয়নি তারা।গত রাতে আবারও সামান্য বিষয় নিয়ে ঝসড়া সৃষ্টি করে পূর্বে থেকে ঘওে রাখা বোতলে রাখা এসিড কোমরের নিচে ঢেলে দেয়। শুধু তাই নয় রাতভর সাথীকে ওই বাড়ীতে আটকে রেখে পরদিন সকালে রিকসা ভ্যানে করে সাদুল্যাপুর বাবার বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে পরিবারের লোকজন সাথীকে সাদুল্যাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
সাদুল্যাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হারুন-অর-রশিদ জানান, এসিড নিক্ষেপের সময় সাথীর পরনে মোটা কাপর থাকায় মারাতœক কোন ক্ষতি হয়নি। তবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।অল্প সময়ে তিনি সুস্থ্য হয়ে উঠবেন।
সাদুল্যাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) ফরহাদ ইমরুল কায়েস সোনারবাংলা ৭১.কমকে= জানান, এসিড নেক্ষেপের ঘটনা তিনি শুনেছেন। তবে এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।