শনিবার ২৯শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৬শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

মা ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা ভতুর্কির আওতায় আনা হবে জেলেদের

প্রকাশঃ ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

:নিজস্বপ্রতিবেদকঃ ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকাকালীন সময় জেলেদের ভতুর্কির আওতায় নিয়ে আসতে সরকারের পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক।
রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সামশুল হক চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ছায়েদুল হক বলেন, জাটকা নিধন রোধে সহায়তা বাড়ানোর ফলে জেলেদের আর্থিক এলাকা বিগত সময়ের চেয়ে বেড়ে ২৫ জেলার ১১২টি উপজেলায় বিস্তৃত হয়েছে। পাশাপাশি সহায়তাপ্রাপ্ত জেলের সংখ্যাও বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৪৬২ জন জেলেকে প্রতি মাসে ৮০ কেজি হিসাবে ৫ মাসের জন্য ১ লাখ ৫৩ হাজার ৭৮৪ দশমিক ৮০ মেট্রিক টন খাদ্য সহায়তা এবং পরিবার প্রতি মাসিক ১ হাজার টাকা হিসাবে ৫ মাসের জন্য ১৯২ কোটি টাকা ২৩ লাখ ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
আগামী ইলিশ প্রজনন মৌসুমের এক মাস জাটকা আহরণে জেলেদের নিরুৎসাহিত করতে দরিদ্র সব জেলেকে ৮০ কেজি হারে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৪৬২টি পরিবারকে ৩০ হাজার ৭৫৬ দশমিক ৯৬ মেট্রিক টন চাল এবং পরিবার প্রতি মাসিক ১ হাজার টাকা হিসাবে ৩৮ কোটি ৪৪ লাখ ৬২ হাজার টাকা দেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, জানান মন্ত্রী।
নজরুল ইসলাম চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে ২০১৫ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ৪৬, ২৫৭ দশমিক ৫৮ মে. টন মৎস্য ও মৎসপণ্য বিদেশে রফতানি করে বাংলাদেশ ৩৩৯ দশমিক ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে। তবে বিগত অর্থবছরে ৮৩, ৫২৪ দশমিক ৩৭ মে. টন মৎস্য ও মৎস্যপণ্য রফতানিতে সরকারের কোনো অর্থ প্রত্যক্ষভাবে ব্যয় হয়নি।
আনোয়ারুল আবেদীন খানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দৈনিক জনপ্রতি ৬০ গ্রাম হারে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সারাদেশে মাছের মোট চাহিদা রয়েছে ৪০ দশমিক ৫৫ লাখ মেট্রিক টন।