শনিবার ২৯শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৬শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশঃ ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

নিজস্বপ্রতিবেদকঃ এ বছর দেশের ১৬ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও প্রশংসনীয় অবদান রাখায় একুশে পদক দিয়েছে সরকার। শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
একুশে প্রদকপ্রাপ্তরা হলেন- ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, ডা. সাইদ হায়দার ও ড. জসীম উদ্দিন আহমেদ। ভাষা সংগ্রামী সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া (মরণোত্তর) একুশে পদক পেয়েছেন। শিল্পকলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য অভিনেত্রী জাহানারা আহমেদ, শাস্ত্রীয় সংগীতগুরু পণ্ডিত অমরেশ রায় চৌধুরী, সংগীত শিল্পী শাহীন সামাদ, নৃত্যশিল্পী আমানুল হক ও চিত্রশিল্পী কাজী আনোয়ার হোসেন (মরণোত্তর)। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য একুশে পদক পেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি মফিদুল হক। আর সাংবাদিকতায় এ পদক পেয়েছেন প্রবীণ সাংবাদিক তোয়াব খান।
গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখায় এ পদক পেয়েছেন, অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ এবং মংছেন চীং মংছিন। আর ভাষা ও সাহিত্যে জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, অধ্যাপক হায়াৎ মামুদ ও হাবীবুল্লাহ সিরাজী।
পদকপ্রাপ্তদের হাতে সোনার তৈরি ৩৫ গ্রাম ওজনের পদক, দুই লাখ টাকা, সম্মাননাপত্র এবং একটি রেপ্লিকা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় নিজ নিজ ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদকের জন্য ওই ১৬ জনের নাম ঘোষণা করে।
৫২’র ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদক চালু করে সরকার। প্রতি বছর সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার দেয়া হয়।