শনিবার ১৫ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১২ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

বিক্ষোভের নামে সম্পদ ধ্বংস সহ্য করা যাবে না: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

প্রকাশঃ ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

55_Fire_Bus_Shahbagh_Belal+Paribahan_10012015_00+(4)

নিজস্ক প্রতিবেদক: রাজনৈতিক দলই হোক কিংবা ব্যক্তিগতভাবে কেউ হোক বিক্ষোভের নামে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস কোনোমতে সহ্য করা যাবে না, একথা বলেছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।
হরতাল: সাত দশকে ৬০৫ এর ২৪৩ গেল ছয় বছরে

একটি আবেদনের শুনানিতে বুধবার ভারতের সুপ্রিম কোর্টের এই বক্তব্য আসে বলে টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সম্পদ ধ্বংসের চেষ্টা কঠোরভাবে দমনের পাশাপাশি এর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করার কথাও বলেছে প্রতিবেশী দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।

ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা হরহামেশাই ঘটে।

২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে সহিংস রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে অর্থনীতির ১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয় বলে বিশ্ব ব্যাংকের এক হিসাবে বলা হয়।

গত বছর ভারতের গুজরাটের প্যাটেল সম্প্রদায়ের বিক্ষোভের সময় ব্যাপক ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ ঘটে। চাকরিতে কোটার দাবিতে ওই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন হার্ডিক প্যাটেল নামে এক যুবক। তাকে গ্রেপ্তারের পরই সহিংসতার বিস্তার ঘটেছিল।

হার্ডিক প্যাটেলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে। ওই মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তার একটি আবেদনের শুনানির সময় রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্টের বিষয়ে আদালতের বক্তব্য আসে।

আদালত বলেছে,“বিক্ষোভের নামে নৈরাজ্য ছড়াবে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ পোড়ানো হবে, এটা কোনোভাবে সহ্য করা যাবে না।”

দায়ীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের কথা বলার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, জনগণের সম্পদ ধ্বংসকাণ্ডে জড়িতদের কীভাবে শাস্তি দেওয়া যায়, তার একটি নীতিমালা তৈরি করে দেবে আদালত।

“এটা বিজেপি, কংগ্রেসের মতো রাজনৈতিক দলই হোক কিংবা ব্যক্তি পর্যায়ের কেউ হোক, তাদের বুঝতে হবে, বিক্ষোভের নামে জনগণের সম্পদ ধ্বংস করা যাবে না, বলেন সুপ্রিম কোর্টের ওই বেঞ্চের নেতৃত্বদাতা বিচারপকি জে এস খেহার।

হরতাল-অবরোধে নাশকতা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশের হাই কোর্টও ২০১৫ সালে একটি আদেশে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল।