বৃহস্পতিবার ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৪শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

তথ্য প্রযুক্তিতে এশিয়ার দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান

প্রকাশঃ ০৪ মার্চ, ২০১৬

441_99376
ঢাকা: তথ্য প্রযুক্তির সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যেতে এশিয়ার দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম মাহমুদ আলী।

তিনি বলেন, এশিয়ার অনেক দেশেই প্রযুক্তির ব্যবহার করতে গিয়ে কিছু সমস্যায় পড়তে হয়। এ সমস্যাগুলো দূর করে শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ডিজিটাল গর্ভমেন্ট প্রক্রিয়ায় এশিয়ার দেশগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।

শুক্রবার (০৪ মার্চ) বেলা ১১টায় হোটেল রেডিসনে দু’দিনব্যাপী ‘সিআইসিএ কনফারেন্স অন ডিজিটাল গর্ভনমেন্ট’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বক্তব্য রাখছিলেন।

বাংলাদেশ ২০১৪ সালে সিআইসিএ’র পূর্ণ সদস্য পদ লাভ করে। সিআইসিএ’র বর্তমান সদস্য এশিয়ার ২৬টি দেশের মধ্যে অবজারভার রাষ্ট্র ৮টি। বাংলাদেশ হচ্ছে কো-অর্ডিনেটর।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির আবির্ভাবে বাংলাদেশের মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়ন ঘটেছে। তথ্য প্রযুক্তি মানুষের জীবনধারাকে বদলে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দ্বিতীয় মেয়াদে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্য ও সেবা প্রদানে রুপান্তর ঘটছে। সরকারি কার্যক্রম ও সেবা প্রদান পদ্ধতির ডিজিটাইজড করা হয়েছে। মানুষ এখন সহজেই সেবা পাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহম্মেদ পলক বলেন, গত সাত বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ অভিযাত্রায় তথ্য প্রযুক্তির অভূতপূর্ব সম্প্রসারণ ঘটেছে। এখন তৃণমূল পর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তির সেবা পৌঁছে গেছে।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের সরকারি ১৮ হাজার ৫০০ অফিসে কানেক্টিভিটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ৫ হাজার ২৭৫ ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। প্রতি মাসে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে সেবা পাচ্ছে।

তিনি বলেন, ডিজিটালাইজেশনের অগ্রগতির পাশাপাশি সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত করায় এশিয়ার দেশগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইসিটি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার। আরও বক্তব্য রাখেন সিআইসিএ’র নির্বাহী পরিচালক গং জিয়ানাউই, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল’র নির্বাহী পরিচালক এসএম আশরাফুল ইসলাম এবং বাংলাদেশে মিশরের রাষ্ট্রদূত ডিন অব ডিপ্লোম্যাটিক কোর মাহমুদ এজ্জাত প্রমুখ।