রবিবার ২৩শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২০শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

ঝালকাঠিতে সিম নিবন্ধনে অর্থ আদায়

প্রকাশঃ ০৫ মার্চ, ২০১৬

2016_03_05_10_56_46_uBu3AaDl8oEXlsUuF9V9XGuaMWMIH1_originalঝালকাঠি : ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের ঘোষণা অনুযায়ী জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দেশজুড়ে শুরু হওয়া বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন কার্যক্রমে সাধারণ গ্রহকদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ঝালকাঠির জেলার বিভিন্ন প্রান্তে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি বিশেষ জনবল নিয়োগ করে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনায় নানাকৌশলে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে নগদ অর্থ। আর অপারেটর কোম্পানির স্থানীয় অফিসে গেলে কোনো রকমের খরচ না নিলেও সময়ক্ষেপনের মাধ্যমে গ্রহকদের হয়রানি হতে হচ্ছে বলে ভুক্তভোগিরা জানিয়েছে।

সরেজমিন ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগে জানা গেছে, জনগণের সুবিধার্থে নিয়োগকৃত বিশেষ জনবল দিয়ে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিবন্ধনের ব্যবস্থা করেছে গ্রামীণ ফোন, বাংলালিংক, রবি, এয়ারটেল, টেলিটক এবং সিটিসেল কোম্পানি। গত সপ্তাহে আমতলা রোডস্থ একটি অপারেটর কোম্পানির নিয়োগকৃত বিশেষ জনবলের কাছে আসে পরমহল থেকে ২ নারী গ্রাহক। তাদের কাছে ২টি সিম থাকলেও মোবাইল সেট ছিল না।

বিশেষ জনবল তাদের নিজ মোবাইলে সিম ঢুকিয়ে, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং হাতের আঙুলের ছাপ রেখে নিবন্ধন করে জনপ্রতি ২০ টাকা দাবি করেন। নিবন্ধনে টাকা লাগে না জানালে তারা বলেন, ‘শুধু আপনার জাতীয় পচিয়পত্রের ফটোকপি রেখে আপনাদের কাজ শেষ করে দিচ্ছি, রাতে কষ্ট করে এটা দেখে পুরো ফরমটি ফিলাপ করতে হবে তাই ২০ টাকা চার্জ দিবেন। এভাবে প্রতিটি কোম্পানির প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীরা গ্রাহকদের কাছ থেকে ২০ থেকে ১শ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছেন।

এ ব্যাপারে বাংলালিংক এজেন্ট ব্যবস্থাপক শাওন ও গ্রামীণফোন এরিয়া মার্কেটিং অফিসার মো. আতিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, ‘সিম নিবন্ধনে কোনো টাকা নেয়ার নিয়ম নেই। ব্যবসায়ীদের বা রিটেইলারের কাছে না গিয়ে সরাসরি সার্ভিস পয়েন্টে গেলে কোনো টাকা ছাড়াই নিবন্ধন করে দেয়া হয়।’