সোমবার ১৭ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া একস্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে মার মুঠোফোনে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী

প্রকাশঃ ০৬ মার্চ, ২০১৬

নিজস্ক প্রতিবেদক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় শনিবার সকালে খাদিজা মনি ওরফে মিতু নামের (৭) এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরন করে download-53 দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই শিশু ছাত্রীর মা রুনা আক্তার বাদী হয়ে গতকাল শনিবার দুপুরে কসবা থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করেছেন।
খাদিজা মনি ওরফে মিতু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের বাড়াই গ্রামের আল-আমিন মিয়া মেয়ে। আল-আমিন মিয়া সৌদি আরবে চাকুরী করেন। কসবা পৌর শহরের শীতলপাড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন আল-আমিন মিয়ার স্ত্রী রুনা আক্তার ও তাঁর এক মেয়ে খাদিজা মনি ওরফে মিতু এবং দুই বছরের ছেলে আবদুল্লাহ। খাদিজা আক্তার ওরফে মনি স্থানীয় কসবা ইমাম প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী এবং স্থানীয় একটি মহিলা মাদরাসায় প্রতিদিন সকালে মক্তব পড়ত।
সাধারণ ডাইরী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে; খাদিজা মনি ওরফে মিতু গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে একই ভবনে থাকা সহপাঠী মায়মুনা আক্তারকে সাথে নিয়ে বাসার কাছেই কসবা পৌর শহরের শীতলপাড়া এলাকার একটি মহিলা মাদরাসায় মক্তব পড়তে রওয়ানা করেন। একটু এগুয়ে গেলে একটি ছেলে খাদিজাকে মজা কিনে দেয়ার কথা বলে ডেকে নেয় । মায়মুনাকে মাদরাসায় চলে যেতে বলেন। পরে খাদিজা আর মাদরাসায় ফিরে যায়নি।
ছাত্রীটির মা রুনা আক্তার বলেন; মেয়ের লেখাপড়ার জন্য গ্রামের বাড়ি ছেড়ে কসবার বাসা বাড়িতে এসে পড়ালেখা করছে। তিনি বলেন; ফোনে আমাকে গোপীনাথপুর এলাকার একজন থেকে তারা কিনে নিয়েছে। তাদেরকে দেড় লাখ টাকা দিয়ে ছেড়ে দিবে। তবে পুলিশ বা অন্য কাউকে জানালে খুব ক্ষতি করবে। তবে বিকালেও তাকে ফোন করে টাকার বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন।
কসবা উপপরিদর্শক (এস.আই) মো. সাইদুর রহমান বলেন; এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করা হয়েছে। সারা বাংলাদেশের সকল থানায় বেতার বার্তা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও পুলিশ ওই মুঠোফোন নাম্বারটি ধরে ওই স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।