শনিবার ২২শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৯শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশঃ ১০ মার্চ, ২০১৬

ময়মনসিংহজেলা প্রতিনিধিঃ2016_03_10_13_45_05_aHCSsD4TYAImiGS32s2rcJokBn2ihr_original : ময়মনসিংহে চালককে হত্যা করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের আভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার কুমারগাতা গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে আল-আমিন, সদর উপজেলার রঘুনাথপুরের মোখলেছ আলীর ২ ছেলে স্বপন ও সুমন।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ইমারত হোসেন গাজী জানান, গত ১ মার্চ আল-আমিন ও সুমন শহরের টাউনহল মোড় থেকে সাহেব কোয়ার্টার যাওয়ার কথা বলে ২০ টাকায় অটোরিকশাটি ভাড়া করে। পরে সাহেব কোয়ার্টার নির্জনস্থানে প্রথমে চালককে পিছন দিক থেকে ছুরিকাঘাত করে অটো রিকশাটি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এতেও বাঁধা দিলে গলা কেটে হত্যা করে তার ভাড়ায়চালিত অটোরিকশাটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়।

পরে অটোরিকশার ৪টি ব্যাটারি ও মোটর খুলে নিয়ে একটি নির্জনস্থানে ফেলে দেয়। আল-আমিন ও সুমন অটোরিকশার ৪টি ব্যাটারি ও মোটর নিয়ে সুমনের সৎভাই স্বপনের কাছে নিয়ে যায় বিক্রির জন্য। স্বপন উক্ত মালামাল দুই হাজার টাকায় বিক্রি করে ১৬শ টাকা আল-আমিনকে ৮শ, সুমনকে ৮শ টাকা করে দিয়ে সে নিজে ৪শ টাকা নেয়।

ঘটনার পরদিন নিহতের স্ত্রী শিখা আক্তার বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ৭ মার্চ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের পর ৮ মার্চ হত্যা মামলার প্রধান আসামি আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে ১০ মার্চ বৃহস্পতিবার ভোরে অন্য দুই আসামি স্বপন ও সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্ধার করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।