বৃহস্পতিবার ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৪শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

ধীরে ধীরে অভিশাপমুক্ত হচ্ছে দেশ

প্রকাশঃ ১৭ মার্চ, ২০১৬

2016_03_17_16_24_26_NI6zRzcoWM0NBRDfvgwJFOn600vcWv_original নিজস্বপ্রতিবেদকঃ
: বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অসামান্য অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মধ্য দিয়ে দেশ আজ ধীরে ধীরে অভিশাপ্তমুক্ত হচ্ছে। স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র এখন আর জনগণকে বিভ্রান্ত করতে পারে না। বাংলাদেশ সব বাধা উপেক্ষা করে উন্নয়নের পথে এগোচ্ছে।’

বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৯৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অনুষ্ঠিত শিশু সমাবেশে এক বক্তৃতায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ ২১ বছর এদেশের মানুষকে স্বাধীনতার ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। বিজয়ী জাতির যে গর্ব করার মতো কিছু ছিলো তাকে আড়াল করার চেষ্টা করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরা।’

রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর দৃঢ় মনোবলের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধু মানুষের প্রতি ছিলেন অসীম দরদী। দেশের লাঞ্ছিত জনগোষ্ঠীকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করতে জীবনের অনেকটা সময় তাকে কারাগারে কাটাতে হয়েছে। অথচ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করে বাঙালির স্বাধীনতার চেতনাকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার ঘৃণ্য অপপ্রয়াস চালানো হয়েছিলো।’

‘বর্তমান প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সঠিকভাবে জানাতে পারবে। আমরা চাই, আমাদের ছেলে-মেয়েরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ধারণ করে জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সে লক্ষ্যে আমরা কাজও করছি।’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

রাফিয়া তুর জামানের সভাপতিত্বে শিশু সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা এবং ৭ মার্চের ভাষণ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রসঙ্গত, ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার নেতৃত্বেই দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক স্বাদীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট এক দল সেনা কর্মকর্তার হাতে নিজ বাসভবনে সপরিবারে নিহত হন শেখ মুজিব।