শনিবার ২২শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৯শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

আ.লীগের সম্মেলন পিছিয়ে ১০ জুলাই

প্রকাশঃ ২০ মার্চ, ২০১৬

ঢাকা : আওয়ামী লীগের নির্ধারিত জাতীয় সম্মেলনে বাধ সাধলো দেশজুড়ে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। তাই আগামী ২৮ মার্চের পরিবর্তে দলটির জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১০ জুলাই।

রোববার (২০ মার্চ) গণভবনে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভা শেষে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করতে বৈঠকে বসে দলটির কার্যনির্বাহী কমিটি।

এদিকে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সম্মেলনের তারিখ ২৮ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনসহ বিভিন্ন কারণে এ তারিখে সম্মেলন হচ্ছে না বলে আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন দলটির নেতারা। তাই কার্যনির্বাহী কমিটি বৈঠক করে আগামী ১০ জুলাই সম্মেলনের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছে।

এছাড়া সদ্য অনুষ্ঠিত পৌরসভা ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) দুই ধাপের নির্বাচনে ৭১১ বিদ্রোহী প্রার্থী এবং নেপথ্যে থেকে তাদের পৃষ্ঠপোষকতা ও মদদ দেয়া ৫১ এমপির ভাগ্য নির্ধারণও হয়েছে বৈঠকে।

পৌরসভা নির্বাচনে বিদ্রোহীদের মদদ দেয়া ২৫ এমপি এবং ইউপিতে বিদ্রোহীদের পক্ষে কাজ করা ২৬ এমপির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক তদন্ত করেছে আওয়ামী লীগ। দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিন পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে রিপোর্ট প্রস্তুত করেছেন। এর মধ্যে পৌরসভায় নেপথ্যে থেকে বিদ্রোহীদের মদদ দেয়া ২৫ এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট কেন্দ্রে জমা দিয়েছেন সাংগঠনিক সম্পাদকরা।

গত বুধবার ধানমণ্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছিলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটা বড় দল। সারাদেশ থেকে নেতাকর্মীরা কাউন্সিলে যোগ দেবেন। সাথে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরাও সম্মেলনে আসবেন।’

‘যেহেতু এবারই প্রথমবারের মতো দলীয়ভাবে ইউপি নির্বাচন হতে যাচ্ছে, তাই এই নির্বাচন জাতীয় ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সকল নেতাকর্মী নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থাকবে। এসব বিষয় চিন্তা করে সামনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সম্মেলনের তারিখ পরিবর্তন করা হতে পারে’- বলেছিলেন হানিফ।

প্রসঙ্গত, ২২ মার্চ ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপের ৭৩৮টি এবং ৩১ মার্চ দ্বিতীয় ধাপে ৬৮৪টি উইপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় প্রতীকে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা এতে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছেন2016_03_20_22_15_59_0AfS8dE4VaOvv3jlRtLA08tQvDtLzL_original