শুক্রবার ২৮শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২৫শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি

আ.লীগ নেতা হত্যাকাণ্ডে ১৩ জনের ফাঁসির আদেশ

প্রকাশঃ ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১

আদালত প্রতিবেদক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জগত বাজারের ব্যবসায়ী ও নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক হত্যা মামলায় ১৩ আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অনাদায়ে তাদের আরও এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রোববার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন বসু মিয়া, কবির মিয়া, মোখলেস, সাচ্চু মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া, শহিবুর রহমান শুক্কি, লিয়াকত আলী, ইউনুছ মিয়া, রহমত উল্লাহ ওরফে ফারিয়াজ মিয়া, শিথিল আহমেদ ওরফে ফাহিম আহমেদ, সাইফুল, পাবেল ও আলী মিয়া।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নুরুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, রাসেল, মাজু মিয়া, গোলাপ মিয়া, সোহেল মিয়া, শাহজাহান ও বোরহান ওরফে রুহান।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে ১৬ জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। পলাতক রয়েছেন পাঁচ আসামি। তারা হলেন রহমত উল্লাহ ওরফে ফারিয়াজ মিয়া, শিথিল আহমেদ ওরফে ফাহিম আহমেদ, সাইফুল, পাবেল এবং আলী মিয়া। পলাতক পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যার পর সিএনজিচালিত রিকশায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া উত্তর পৌরতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে জহিরুল হক নিজ গ্রাম পয়াগে ফিরছিলেন।  

ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুটি মোটরসাইকেলে করে আসামিরা তার সিএনজি আটকে জহিরুলকে আক্রমণ করে মারাত্মক জখম করেন আসামিরা। সিএনজিচালক গোলাপ মিয়াও আঘাতপ্রাপ্ত হন। এ সময় মোটরসাইকেল দুটিসহ আসামি শিথিল ও ফারিয়াজকে আটক করে পুলিশে দেন স্থানীয়রা।

জহিরুল হক ওই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই কবির হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২১ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।